শিরোনাম
কালিয়াকৈর রেঞ্জে গাছ কাটা, নৌকা চালক লুৎফরকে ঘিরে রহস্য কালিয়াকৈরে সংরক্ষিত বনভূমিতে গাছ কাটার অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে বন বিভাগ কালিয়াকৈরে ট্রাকের পেছনে ট্রাকের ধাক্কা, চালক নিহত কালিয়াকৈরে ভিক্ষুক বাছাই সম্পন্ন সারে নেই কোনো সংকট: কৃষিমন্ত্রী উৎসবমুখর আয়োজনে নবীনবরণ আদালতে হাজির সাবেক মেয়র আইভী, বললেন— ‘নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী’ শ্রীপুরে ১৪ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ কথিত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গাজীপুর জেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: সেলিম আজাদ সভাপতি, ব্যারিস্টার আশরাফুল আলম সজীব সাধারণ সম্পাদক ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন

উদ্বোধনের কয়েক মাসের মধ্যেই ধসে পড়ল ৯ কোটি টাকার সড়ক, আতঙ্কে এলাকাবাসী

রিপোটারের নাম / ৭৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি গাজীপুর।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী-দমদমা সড়ক নির্মাণ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই এর একাংশে বড় ধরনের ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশে ফাটল ও দেবে যাওয়ার ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং সুতি নদীর তীর যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করেই তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নদীর পাড় রক্ষায় স্থাপন করা সিসি ব্লকও ভেঙে নদীতে পড়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
জানা গেছে, ২০২১ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রাজাবাড়ী থেকে দমদমা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ২০২৬ সালের শুরুতে প্রকল্পটি বুঝিয়ে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই চিনাশুকানিয়া এলাকার নদীসংলগ্ন অংশে ধস দেখা দেয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়েছে এবং নদীতীর রক্ষার ব্লকগুলোও সরে গিয়ে নদীতে বিলীন হচ্ছে। আপাতত বালু ও মাটিভর্তি বস্তা ফেলে ক্ষয়রোধের চেষ্টা করা হলেও তাতে স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্মাণের শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাদের দাবি, নদীর তীর দ্রুত বালু-মাটি ফেলে ভরাট করে সড়ক নির্মাণ করায় মাটি শক্তভাবে বসেনি। ফলে বর্ষা শুরু হতেই ধস দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আব্দুস ছালাম বলেন, চূড়ান্ত বিল উত্তোলন করা হলেও প্রকল্পের নিরাপত্তা জামানত এখনো সংরক্ষিত রয়েছে। সড়কের কোথাও ক্ষতি হলে তা মেরামত করা হবে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে বারবার ভেঙে গেলে বারবার মেরামত করাই সমাধান কি না—এ প্রশ্নের জবাব না দিয়েই তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
শ্রীপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. তৌহিদ আহমেদ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে স্থায়ী সংস্কার করা হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জামানত থেকে প্রয়োজনে মেরামতের ব্যয় বহন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ